বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:৩১:৫৭ পিএম

ব্রিটিশ বাংলাদেশী তারকা শিল্পীদের চোখে ঈদ ভাবনা (শেষ অংশ)

তাজ সৌরভ | প্রবাস | শনিবার, ৯ জুন ২০১৮ | ০৩:৫৬:২৫ পিএম

দীর্ঘ একমাস আত্মসংযম ও আত্মত্যাগের সিয়াম সাধনা শেষে দুয়ারে এসেছে ঈদ, খুশির ঈদ! মূলত ঈদ মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হলেও কালের পরিক্রমায় বিশেষত বাংলাদেশের কৃষ্টি সংস্কৃতিতে ঈদ রূপান্তরিত হয়েছে সার্বজনীন সামাজিক সাংস্কৃতিক উৎসবে।

বাংলাদেশের মতো বিলেতের দুয়ারেও কড়া নাড়ছে ঈদ, যেখানে একটি বৃহত্তর বাংলাদেশী জনগুষ্টির বসবাস, যাদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সদর্পে কাজ করছেন দেশীয় বাংলা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে, অব্যাহত পরিচর্চায় নিজেদের গড়ে তুলেছেন শিল্পী রূপে সংস্কৃতির বিভিন্ন মাধ্যমে , কেউ বা প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী হিসেবে স্বাক্ষর রাখছেন স্বকীয় ব্যঞ্জনায় , অনেকেই স্ব স্ব ক্ষেত্রে অর্জন করেছেন সুনাম ও তারকা খ্যাতি।

বলাবাহুল্য আর সব সবার মতো এইসব শিল্পীদের জীবনেও আসে ঈদ , প্রবাসের এই ব্যস্ত জীবনে আমরা জনমতের পক্ষ থেকে জানতে চেয়েছি তাদের ঈদ ভাবনা , ঈদ স্মৃতি এবং ঈদ অনুভূতির কথা, প্রতিশ্রুতিশীল ও তারকা শিল্পীদের সাথে কথা বলে প্রতিবেদনটি লিখেছেন কালচারাল রিপোর্টার তাজ সৌরভ ।



"আমরা তিন চার দিন যাবৎ ঈদ উদযাপন করতাম"
রাজ দাস , অভিনেতা। 


তখনকার সময়ের ঈদের স্মৃতি গুলো খুবই চমৎকার । আমরা তিন চারদিন যাবত ঈদ উদযাপন করতাম। বিকেলটা শুরু হতো সাকলেন ভাইয়ের বাসা দিয়ে। উজ্জল দা শিমুল আপা জুনায়েদ ভাই মাহমুদা আপা দীপ্তি দি সবাই জড়ো হতাম। শুরু হতো খাওয়া দাওয়া আর ম্যারাথন আড্ডা। কেন জানি তখন মনেই হত না ঈদটা আমাদের উৎসব না। ঘুরে ঘুরে সবাই সবার বাসায় যেতাম। একদিনে তো আর সব বাসায় যাওয়া সম্ভব না তাই ভাগ করে নেওয়া হতো কার বাসায় কবে কখন। সেই সাথে সিলেট চষে বেড়াতাম। সেটা দুপুরের প্রখর রোদ হোক অথবা বিকেলে বা সন্ধ্যার হিমেল হাওয়ায় হোক। বয়স ভুলে গিয়ে নতুন কাপড় পড়ে সে কি ঘোরাঘুরি। মালনিছড়া লাক্কাতুরা অথবা কানিশাইলের নদীর তীর কোন জায়গা বাদ থাকতো না। একসাথে চার পাঁচটা রিক্সা নিয়ে আমরা ছুটতাম। মাঝে মাঝে ঐ সব ঈদের দিনের কথা মনে হলে আবার ফিরে যেতে ইচ্ছে সেই সোনা ঝরা দিনে।

নিউজের প্রথম অংশ

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন