বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ১২:২০:৪২ পিএম

শার্শায় বেকারির নিন্মমানের খাদ্যে স্থানীয় বাজার সয়লাব

আহম্মদ আলী শাহিন | জেলার খবর | যশোর | বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ | ১২:৩০:৩৮ পিএম

যশোরের শার্শায় সরকারি নির্ধারণী মান রক্ষা করে বিস্কুট, পাউরুটি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরি বাধ্যতামূলক হলেও উপজেলার অধিকাংশ বি.এস.টিআই লাইসেন্সবিহীন বেকারি মালিকরা তা মানছে না।

উপজেলার এসব বেকারিতে তৈরি নিন্ম মানের খাদ্যের বাজার সয়লাব। যা খেয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হচ্ছে উপজেলাবাসীকে। মাঝে মাঝে এসব বেকারিগুলোতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ম্যাজিষ্ট্রেট ও খাদ্য অধিদপ্তরের লোকজন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

সরেজমিনে শার্শা উপজেলার নাভারন এলাকার একতা, উলাশি ইউনিয়নের রামপুর বাজারের আলামিন ও বাগআঁচড়ার সততা বেকারি ঘুরে দেখা গেছে অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্রমিকরা কাজ করছে। অপরদিকে শিশু শ্রমিক নিষিদ্ধ থাকলেও অধিকাংশ বেকারিতে শিশু শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। কারখানাতে যেখানে সেখানে ময়দা, চিনি, লবনসহ তৈরিকৃত খাবার পড়ে আছে।

এসব খাবারের উপর মাছি ভন ভন করছে। তার পাশে ডিমের ভাঙ্গা খোসা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। শ্রমিকরা অপরিচ্ছন্ন মেঝেতে আটা-ময়দা রেখে অপরিষ্কার হাত-পা ব্যবহার করে সেগুলো মইন করছে। বেকারিগুলোতে আলো বাতাস আসা যাওয়ার কেনা ব্যবস্থা নেই।

এছাড়াও পাউরুটি ও বিস্কুটের গায়ে উৎপাদন এবং মেয়াদ শেষের তারিখ বাধ্যতামূলক হলেও এ নিয়ম সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না।

নাভারন এলাকার একতা, উলাশি ইউনিয়নের রামপুর বাজারের আলামিন ও বাঁগআঁচড়ার সততাসহ উপজেলার অধিকাংশ বেকারিতে পাউরুটি, কেক ও বিস্কুট বি.এস.টি.আই-এর মান নিয়ন্ত্রণ না করে পরীক্ষা ছাড়াই বাজারজাত করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

বেকারি গুলোর আশপাশে বসবাসকারীরা জানান, বেকারির আশেপাশে সব সময় ধুয়ার আচ্ছান্ন থাকে। ডিমের ভাঙ্গা খোসা ও বিভিন্ন আবর্জনার দূর্গন্ধ বাতাসে ছড়ানোর ফলে বিভিন্ন রোগে তার আক্রান্ত হচ্ছেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন