সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৫৫:২৮ পিএম

শেরপুরে জমে উঠেছে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা

জাহিদুল খান সৌরভ, শেরপুর | জেলার খবর | শেরপুর | শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৬ | ০৭:৪০:২৩ পিএম

জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা চলছে । সবচেয়ে এগিয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপির সমর্থনে তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো শহর।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের অন্যতম প্রধান স্তর জেলা পরিষদকে গতিশীল করতে ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৬১টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু অনির্বাচিত প্রশাসক দিয়ে কোনভাবেই গতিশীল হচ্ছিল না সেই জেলা পরিষদগুলো। 

তাই জেলা পরিষদ আইন সংশোধনক্রমে নির্বাচিত প্রতিনিধি বসানোর পদক্ষেপ নেয় সরকার। সংশোধিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি জেলাকে ১৫টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে ১৫ জন সাধারণ সদস্য ও প্রতি ৩ ওয়ার্ডে একজন করে ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আর চেয়ারম্যান মিলে ২১ সদস্যের পরিষদ থাকবে।

সেই সাথে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচিত করার জন্য স্ব-স্ব জেলার সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যানগণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ দ্বারা নির্বাচকমন্ডলী গঠনের বিধান রাখা হয়। সে অনুযায়ী শেরপুরের ৫টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ৫২টি ইউনিয়নে মোট ভোটারসংখ্যা দাঁড়ায় ৭৪৩। 

চন্দন কুমার ছাড়াও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী অন্যোন্যদের মধ্যে রয়েছেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সদ্য ঘোষিত জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামছুন্নাহার কামাল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক গর্ভনর প্রয়াত এডভোকেট আনিসুর রহমানের ভাতিজা জনস্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পিডি প্রকৌশলী মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব আলম মঞ্জু, শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সদ্য ঘোষিত জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর রুমান, জেলা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুল হালিম উকিল। 

বিএনপির কারও নাম এখনও শোনা না গেলেও আলোচনায় রয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াছ উদ্দিন।  জেলা জাসদের একাংশের সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটনের নামও শোনা যায় চা দোকানের আড্ডায় ।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন